আবদুল কাদির: সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামেয়া ইসলামিয়া ফরিদাবাদ সিলেট-এর চলমান শিক্ষাবর্ষের শিক্ষাসফর বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হয়। ২৬৫জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে ২৪জন শিক্ষক বাংলাশের সবচেয়ে বেশি শীতপ্রধান অঞ্চল ও বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল শ্রীমঙ্গল ঘুরে আসেন।
সকাল ৮টায় জামেয়া থেকে শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশে ছেড়ে যায় গাড়িবহর। সেখানকার ৪০ টিরও বেশি চা বাগান, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-পালা ও পশুপাখি পরিদর্শনসহ শ্রীমঙ্গলের কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। ভ্রমণ শেষে সন্ধ্যা ৭টার দিকে সিলেটের উদ্দেশে রওয়ানা দেয় গাড়িবহর।
পথিমধ্যে জামেয়া মাদানিয়া শেখবাড়ি ও জামেয়া রহমানিয়া মৌলভীবাজার পরিদর্শনপূর্বক সমাবেশ করা হয়। সেখানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-শিক্ষক ও এলাকার জনগণকে নিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। সমাবেশে বক্তারা বক্তারা বলেন, মানুষের মন-মেজাজ সতেজ রাখার জন্য শিক্ষাসফরের বিকল্প নেই। এতে সতেজতা আসে শরীর-মনে; নতুন উদ্যমে কাজ করার প্রেরণা বোধ হয়। সফর জ্ঞানের দরজা খুলে দেয়,মনের সঙ্কীর্ণতা দূর করে, মনে প্রশান্তি আনে। তারা বলেন, বছরে অন্তত দু’একবার শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে বেড়ানো উচিত। এতে বিনোদনের পাশাপাশি স্মৃতিশক্তির পরিধি বৃদ্ধি পায়।
এবারের শিক্ষাসফরে যাত্রাপথের উল্লেখযোগ্য প্রতিটি স্থানের নাম ও এর ইতিহাস সম্পর্কে শীট তৈরি করে শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা প্রত্যক্ষভাবে ভৌগলিক শিক্ষা অর্জনের সুযোগ লাভ করে।
সফর শেষে রাত ১০টার দিকে কাফেলাটি গন্তব্যে পৌঁছায়।